উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) ক্যালকুলেটর

মুসলিম ফারায়েজ আইন অনুযায়ী সম্পত্তির সঠিক হিস্যা (অংশ) — সহজ ও বিস্তারিত দুই পদ্ধতিতে সঠিক ভাবে হিসাব করুন।

নিকটতম ওয়ারিশদের তথ্য দিন — মৃত ব্যক্তির স্বামী/স্ত্রী, সন্তান এবং পিতা-মাতা সম্পর্কিত হিসাব পাবেন।
স্বামী / স্ত্রী
সন্তান
পিতা-মাতা
সব সম্ভাব্য ওয়ারিশের তথ্য দিন — যাদের মধ্যে অবস্থান নেই (০) তাদের বাদ দিয়ে হিসাব হবে।
স্বামী / স্ত্রী
সন্তান
পিতা-মাতা ও দাদা-দাদী
ভাই-বোন
চাচা, ভাতিজা ও অন্যান্য আসাবা
বিজ্ঞাপন

উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) ক্যালকুলেটর কেন ব্যবহার করবেন

কোনো মুসলিম ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি কারা পাবেন এবং কে কতটুকু অংশ পাবেন, সেটি অনেক পরিবারের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পরিবারের সদস্য কম হলে হিসাবটা তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে স্বামী বা স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, বাবা-মা কিংবা আরও কাছের ও দূরের আত্মীয় থাকলে বিষয়টি দ্রুত জটিল হয়ে যায়। একজন ওয়ারিশের উপস্থিতির কারণে অন্য একজনের অংশ পরিবর্তিত হতে পারে, আবার কোনো কোনো ওয়ারিশ সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিতও হতে পারেন। তাই শুধু মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানলেই সঠিক উত্তরাধিকার হিসাব করা যায় না।

মুসলিম উত্তরাধিকার আইন বা ফারায়েজ হলো ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তি যোগ্য ওয়ারিশদের মধ্যে নির্ধারিত নিয়মে বণ্টনের বিধান। পবিত্র কুরআনের সূরা নিসায় উত্তরাধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে। বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক বিষয়ের ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিধানের পাশাপাশি প্রযোজ্য আইনও বিবেচনায় রাখতে হয়। ফলে বাস্তবে সম্পত্তি বণ্টনের আগে শুধু একটি সাধারণ ভাগের হিসাব না করে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) ক্যালকুলেটর মূলত সেই প্রাথমিক হিসাবটি বুঝতে সাহায্য করার জন্য। আপনার পরিবারের কোন কোন ওয়ারিশ জীবিত আছেন এবং তাদের সংখ্যা কত, সেই তথ্য দিলে ক্যালকুলেটর সম্ভাব্য অংশের হিসাব দেখাতে পারে। এতে ভগ্নাংশের পাশাপাশি শতকরা হিসাব এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হিসাবের ধাপও বোঝা যায়। ফলে কাগজে-কলমে দীর্ঘ হিসাব করার আগে একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সহজ হয়।

ক্যালকুলেটরে দুটি পদ্ধতি রাখা হয়েছে। সাধারণ পারিবারিক পরিস্থিতির জন্য সরল হিসাব এবং বেশি ধরনের ওয়ারিশ থাকা জটিল পরিস্থিতির জন্য বিস্তারিত হিসাব। তাই আপনার পরিবারের অবস্থা যদি সাধারণ হয়, তাহলে সরল পদ্ধতিতেই দ্রুত হিসাব করতে পারবেন। আর যদি দাদা-দাদী, পুত্রের সন্তান, ভাই-বোন, চাচা বা অন্য আত্মীয়ের বিষয় থাকে, তাহলে বিস্তারিত পদ্ধতিতে তথ্য দেওয়া সুবিধাজনক।

কীভাবে ব্যবহার করবেন

সরল হিসাব ট্যাব: সাধারণ পরিবারের উত্তরাধিকার হিসাব করার জন্য এই ট্যাবটি ব্যবহার করতে পারেন। এখানে মূলত স্বামী বা স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে এবং পিতা-মাতার মতো নিকটতম ওয়ারিশদের তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রথমে মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় কারা জীবিত ছিলেন সেটি নিশ্চিত করুন। এরপর সংশ্লিষ্ট ঘরে তাদের সংখ্যা লিখুন। যেমন, একজন স্ত্রী, দুইজন ছেলে এবং একজন মেয়ে থাকলে স্ত্রী ১, ছেলে ২ এবং মেয়ে ১ দিতে হবে। কোনো ধরনের ওয়ারিশ না থাকলে সেই ঘরে ০ রাখবেন।

সব তথ্য দেওয়ার পর “হিসাব করুন” বোতামে চাপলেই ফলাফল দেখতে পারবেন। সেখানে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্ভাব্য অংশ, শতকরা হার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভগ্নাংশ দেখানো হবে। শুধু ফলাফল দেখেই থেমে না থেকে হিসাবের ধাপটিও দেখে নেওয়া ভালো। এতে কোন অংশটি নির্দিষ্ট এবং কোন অংশটি অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে এসেছে, সেটি বোঝা সহজ হয়।

বিস্তারিত হিসাব ট্যাব: পরিবারের ওয়ারিশদের তালিকা বেশি হলে এই ট্যাবটি ব্যবহার করুন। এখানে সন্তান, পুত্রের সন্তান, পিতা-মাতা, দাদা-দাদী-নানী, সহোদর ও সৎ ভাই-বোন, ভাতিজা, চাচা এবং চাচাতো ভাইয়ের মতো আরও বিভিন্ন সম্পর্কের তথ্য দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তথ্য দেওয়ার সময় একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার, কারণ একজন নিকটতর ওয়ারিশের উপস্থিতি অন্য কোনো দূরের ওয়ারিশের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

শুধু জীবিত ওয়ারিশদের সংখ্যা লিখবেন। কোনো আত্মীয় মৃত হলে বা প্রযোজ্য না হলে সংশ্লিষ্ট ঘরে ০ রাখুন। যেমন, পিতা জীবিত থাকলে দাদার তথ্যও একইভাবে বিবেচনা করতে হবে, কারণ নিকটতর ওয়ারিশের উপস্থিতির কারণে দাদার উত্তরাধিকার পাওয়ার বিষয়টি পরিবর্তিত হতে পারে। একইভাবে পুত্র জীবিত থাকলে ভাই-বোনের মতো কিছু ওয়ারিশের অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বিস্তারিত হিসাবের ক্ষেত্রে কোনো আত্মীয় বাদ না দিয়ে আগে পুরো পারিবারিক সম্পর্কের তালিকা তৈরি করে নেওয়া ভালো।

বাস্তব উদাহরণ

উদাহরণ ১: ধরা যাক, একজন মুসলিম ব্যক্তি মারা গেছেন এবং তার মৃত্যুর সময় একজন স্ত্রী, একজন পুত্র এবং একজন কন্যা জীবিত ছিলেন। সন্তান থাকায় স্ত্রী সাধারণভাবে ১/৮ অংশ পাবেন। এরপর নির্ধারিত অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে ২:১ অনুপাতে বণ্টিত হবে। তাই মোট সম্পত্তি যদি ৮ লাখ টাকা হয়, তাহলে স্ত্রীর ১/৮ অংশ হবে ১ লাখ টাকা। অবশিষ্ট ৭ লাখ টাকা ছেলে ও মেয়ের মধ্যে ২:১ অনুপাতে ভাগ হবে। সে হিসাবে পুত্রের অংশ প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৭ টাকা এবং কন্যার অংশ প্রায় ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকা হবে।

এই একই হিসাব শতকরা হিসেবে দেখলে স্ত্রী পাবেন ১২.৫%। অবশিষ্ট ৮৭.৫% সম্পত্তির মধ্যে পুত্র দুই ভাগ এবং কন্যা এক ভাগ হিসেবে অংশ পাবেন। ফলে পুত্রের মোট অংশ হবে প্রায় ৫৮.৩৩% এবং কন্যার অংশ হবে প্রায় ২৯.১৭%। এখানে ২:১ অনুপাতটি পুরো ১০০ শতাংশের ওপর সরাসরি প্রয়োগ করা হয়নি; প্রথমে স্ত্রীর নির্ধারিত অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে ভাগ করা হয়েছে।

উদাহরণ ২: এবার একটি তুলনামূলক জটিল পরিস্থিতি ধরা যাক। মৃত ব্যক্তির পিতা, দাদা, মাতা, দাদী, একজন কন্যা এবং একজন পুত্রের কন্যা জীবিত আছেন। এই ক্ষেত্রে শুধু সবাইকে আত্মীয় হিসেবে ধরে নিয়ে সম্পত্তি ভাগ করা যাবে না। কে নিকটতর ওয়ারিশ এবং কার উপস্থিতির কারণে অন্য কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন—সেটি আগে দেখতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে পিতা জীবিত থাকায় দাদার উত্তরাধিকার পাওয়ার বিষয়টি প্রভাবিত হবে। একইভাবে মাতা জীবিত থাকায় দাদীর অবস্থানও প্রভাবিত হবে। কন্যা এবং পুত্রের কন্যার ক্ষেত্রেও তাদের নির্ধারিত অংশের নিয়ম আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে। ফলে এ ধরনের হিসাব সাধারণ যোগ-বিয়োগের বিষয় নয়; পুরো পারিবারিক কাঠামো একসঙ্গে বিবেচনা করে ফারায়েজের নিয়ম প্রয়োগ করতে হয়।

এই কারণেই জটিল পরিস্থিতিতে বিস্তারিত হিসাব ব্যবহার করা বেশি উপযোগী। আপনি জীবিত ওয়ারিশদের সঠিক সংখ্যা দিলে ক্যালকুলেটর তাদের অবস্থান অনুযায়ী হিসাব সাজিয়ে দেখাতে পারে। তবে কোনো বাস্তব সম্পত্তি ভাগ করার আগে ফলাফলটি সংশ্লিষ্ট আলেম বা আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই করে নেওয়া উচিত, বিশেষ করে যদি পরিবারে কোনো বিরোধ বা বিশেষ পরিস্থিতি থাকে।

কিছু কাজের টিপস

  • হিসাব শুরু করার আগে মৃত ব্যক্তির কাফন-দাফনের প্রয়োজনীয় খরচ, ঋণ পরিশোধ এবং বৈধ ওসিয়তের বিষয় বিবেচনা করতে হবে। এসব বিষয় নিষ্পত্তির পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টনের হিসাব করা হয়।
  • যাবিল ফুরুজ বলতে সাধারণভাবে সেই ওয়ারিশদের বোঝানো হয়, যাদের অংশ শরীয়তের বিধানে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের অংশ ১/২, ১/৪, ১/৮, ১/৬, ১/৩ বা ২/৩ হতে পারে। তবে একই ওয়ারিশ সব পরিস্থিতিতে একই অংশ পাবেন—এমন নয়।
  • আসাবা হলো এমন ওয়ারিশ, যারা নির্দিষ্ট অংশের ওয়ারিশদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী হতে পারেন। পুত্র, ভাই বা চাচার মতো আত্মীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী এই ভূমিকায় আসতে পারেন।
  • একই শ্রেণীর পুরুষ ও নারী সন্তান একসঙ্গে থাকলে সাধারণভাবে ২:১ অনুপাতে বণ্টনের নিয়ম প্রযোজ্য হয়। তবে এই নিয়ম সব ধরনের ওয়ারিশের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রয়োগ করা যায় না।
  • হাজব বা বঞ্চনার নিয়মটি ভালোভাবে খেয়াল করুন। কাছের কোনো ওয়ারিশ জীবিত থাকলে দূরের কোনো ওয়ারিশের অংশ বাতিল বা পরিবর্তিত হতে পারে। যেমন পিতা জীবিত থাকলে দাদার অবস্থান প্রভাবিত হয় এবং পুত্র জীবিত থাকলে ভাই-বোনের উত্তরাধিকার পাওয়ার বিষয়টি পরিবর্তিত হতে পারে।
  • ক্যালকুলেটরে তথ্য দেওয়ার সময় মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় জীবিত থাকা ওয়ারিশদের হিসাব করুন। বর্তমানে কে জীবিত আছেন সেটি দিয়ে হিসাব করলে ফলাফল ভুল হতে পারে।
  • জটিল বা বিতর্কিত ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ আলেম, ফারায়েজ বিশেষজ্ঞ বা আইনজীবীর মাধ্যমে চূড়ান্ত হিসাব যাচাই করে নিন। অনলাইন ক্যালকুলেটরকে প্রাথমিক হিসাব বোঝার সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করাই ভালো।

সাধারণ প্রশ্ন

মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি সরাসরি ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ করা হয় না। বণ্টনের আগে প্রথমে কাফন-দাফনের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে হয়। এরপর মৃত ব্যক্তির কোনো ঋণ থাকলে তা পরিশোধ করতে হয়। তিনি বৈধ কোনো ওসিয়ত করে গেলে সেটিও প্রযোজ্য নিয়ম ও সীমার মধ্যে পূরণ করতে হয়। এসব বিষয় নিষ্পত্তি করার পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে, সেটিই ওয়ারিশদের মধ্যে ফারায়েজের নিয়ম অনুযায়ী বণ্টন করা হয়।
মৃত স্বামীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকলে স্ত্রী সাধারণভাবে মোট বণ্টনযোগ্য সম্পত্তির ১/৮ অংশ পান। আর মৃত স্বামীর কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে স্ত্রীর অংশ হয় ১/৪। যদি একাধিক স্ত্রী থাকেন, তাহলে নির্ধারিত ১/৮ বা ১/৪ অংশটি তাঁরা সবাই মিলে ভাগ করে নেন। যেমন, সন্তান থাকলে দুইজন স্ত্রী মিলে ১/৮ অংশ পাবেন এবং প্রত্যেকে তার অর্ধেক অর্থাৎ ১/১৬ অংশ করে পাবেন।
পুত্র ও কন্যা একসঙ্গে থাকলে ফারায়েজের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী একজন পুত্র একজন কন্যার দ্বিগুণ অংশ পান। অর্থাৎ অনুপাত হয় ২:১। যেমন, একজন ছেলে ও একজন মেয়ে থাকলে সম্পত্তিকে তিনটি সমান ভাগ ধরে ছেলে পাবেন দুই ভাগ এবং মেয়ে পাবেন এক ভাগ। তবে কন্যা একা থাকলে বা একাধিক কন্যা থাকলে হিসাব ভিন্ন হতে পারে। তাই শুধু ২:১ নিয়ম জানলেই সব ধরনের উত্তরাধিকার হিসাব করা যায় না; অন্য ওয়ারিশ কারা আছেন সেটিও বিবেচনা করতে হয়।
ফারায়েজের হিসাবের ক্ষেত্রে হাজব বলতে এমন অবস্থাকে বোঝায়, যখন একজন নিকটতর ওয়ারিশের উপস্থিতির কারণে অন্য কোনো ওয়ারিশ উত্তরাধিকার থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হন বা তার অংশে পরিবর্তন আসে। যেমন, পিতা জীবিত থাকলে সাধারণভাবে দাদা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন। আবার পুত্র জীবিত থাকলে ভাই-বোনের উত্তরাধিকার পাওয়ার বিষয়টিও প্রভাবিত হয়। একইভাবে দাদা জীবিত থাকলে কিছু পরিস্থিতিতে চাচার অবস্থান পরিবর্তিত হতে পারে। তাই শুধু সব আত্মীয়ের সংখ্যা জানলেই হবে না, কে কার চেয়ে নিকটতর সেটিও দেখতে হয়।
সাধারণ পরিস্থিতির হিসাব তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও কিছু ক্ষেত্রে ফারায়েজের হিসাব বেশ জটিল হয়ে যেতে পারে। যেমন আউল, রদ বা একাধিক মৃত্যুর পর ওয়ারিশ পরিবর্তনের মতো পরিস্থিতি থাকলে সাধারণ ক্যালকুলেটর দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। এই ক্যালকুলেটর মূলত প্রাথমিক হিসাব ও ধারণা নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। বাস্তবে সম্পত্তি বণ্টনের আগে জটিলতা থাকলে অভিজ্ঞ মুফতি, ফারায়েজ বিশেষজ্ঞ বা আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে চূড়ান্ত হিসাব যাচাই করে নেওয়া ভালো। এতে ভুল বণ্টন বা পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের ঝুঁকি কমে।